HONG KONG, CHINA - JANUARY 22: A patient is transferred by an ambulance to the Infectious Disease Centre of Princess Margaret Hospital on January 22, 2020 in Hong Kong, China. Hong Kong reported its first two cases of Wuhan coronavirus infections as the number of those who have died from the virus in China climbed to seventeen on Wednesday and cases have been reported in other countries including the United States,Thailand, Japan, Taiwan and South Korea. (Photo by Anthony Kwan/Getty Images)

সর্বোচ্চ করোনা ঝুঁকিতে ২০ দেশের মধ্যে নেই বাংলাদেশ

মরণব্যাধি করোনাভাইরাস সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ২০টি দেশের শীর্ষে রয়েছে থাইল্যান্ড, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। বর্তমানে করোনাভাইরাসে থাইল্যান্ডে ৩২ জন, জাপানে ৯০ জন; এদের মধ্যে ৬৪ জনই একটি প্রমোদতরীর। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ায় ২৫ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।

সম্প্রতি জার্মানির হামবোল্ট ইউনিভার্সিটি ও রবার্ট কচ ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বর্তমানে নভেল করোনাভাইরাস বিশে^র ২৫টি দেশে শনাক্ত হয়েছে। বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা বিশে^ স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। ইতিমধ্যে বিশে^ ৩৭ হাজার পাঁচশত চারশ নয় জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এদের মধ্যে চীন, হংকং ও ম্যাকাও তে সংক্রমিতের সংখ্যা সাইত্রিশ হাজার একশ আটানব্বই।

‘এক্সপেকটেড গ্লোবাল স্প্রেড অব দ্য নোভেল করোনাভাইরাস’-নামে এই সমীক্ষা যে ৪ হাজার বিমানবন্দরের উপর করা হয়েছে, তার সঙ্গে আবার যুক্ত রয়েছে সারা বিশ্বের প্রায় ২৫ হাজার বিমানবন্দর। এই ৪ হাজার বিমানবন্দরের বিমান ওঠানামার সংখ্যা, চরিত্র, গন্তব্য ইত্যাদি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে সেই তথ্যের কম্পিউটার ভিত্তিক ও গাণিতিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সমীক্ষার উদ্দেশ্য ছিল করোনা ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনার আপেক্ষিক অনুপাত বের করা। আপেক্ষিক অনুপাত বের করা হয়েছে কত সংখ্যক সংক্রমিত মানুষ অন্য দেশে (এ ক্ষেত্রে ভারত) ভ্রমণ করছেন সেই তথ্য-পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে।

তালিকায় প্রতিবেশী ভারতের অবস্থান ১৭। দেশটির আপেক্ষিক আমদানির সম্ভাবনা ০ দশমিক ২১৯ শতাংশ।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের মডেল মনে করার বিষয়ে সতর্ক করেছেন এর এক গবেষক। ডির্ক ব্রকম্যান নামে ওই গবেষক সায়েন্স ম্যাগাজিনকে বলেন, এটি সংখ্যাগত পূর্বাভাস দেয়ার মতো কোনও বস্তু নয়। জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও নীতিনির্ধারকদের কিছু একটা ধারণা করতে হবে, কারণ ভাইরাসটি এখনও অজানা। এ মডেলগুলো সেই ধারণা করতে সাহায্য করতে পারে।
হামবোল্ট ইউনিভার্সিটির তালিকায় চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে চীনের স্বায়ত্তশাসিত এলাকা হংকং ও তাইওয়ান। হংকংয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তাইওয়ানে সংক্রমিত হয়েছে ১৭ জন।

সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা শীর্ষ দশের বাকি দেশগুলো হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও কম্বোডিয়া। যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত ১২ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। ভিয়েতনামে রয়েছে ১৩ জন, মালয়েশিয়ায় ১৬ জন, সিঙ্গাপুরে ৪০ ও কম্বোডিয়ায় একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

এরপর রয়েছে যথাক্রমে অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ম্যাকাও, ফিলিপাইন, রাশিয়া, কানাডা, ভারত, জার্মানি, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিয়ানমার।

বাংলাদেশ থেকে চীনের বেইজিং, গুয়াংজু, কুনমিংসহ কয়েকটি রুটে বিমান চলাচল করে। তারপরও ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় নাম আসেনি বাংলাদেশের, এখানে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্তও পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মহড়ায় যোগ দিতে কাতার গেল যুদ্ধজাহাজ ‘স্বাধীনতা’

কাতারের দোহাতে অনুষ্ঠিতব্য সপ্তম আন্তর্জাতিক সমুদ্র মহড়া ও প্রদর্শনীতে অংশ নিতে নৌবাহিনী ...