মার্চের মধ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট আইন বাস্তবায়ন

নিউজ ডেস্ক:
কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) তাদের চাকরি রাজস্ব হবে এমন চিঠি পেয়ে তাদেরকে আনন্দ মুহূর্তে কাটছিল হঠাৎ করে তার সংশোধনীয় হিসাবে আসলো আর একটি চিঠি এই চিঠিতে উল্লেখ আছে যে তাদের ট্রাস্টের মাধ্যমে চাকরি স্থায়ীকরণ করা হবে। অবশেষে আগামী মার্চের মধ্যে কমিউনিটি কিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট আইনের বান্তবায়ন শুরু হবে। আইনটির বিধি-প্রবিধি তৈরি করার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আইনটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে হেলথ প্রোভাইডাররা দেশে প্রচলিত অন্যান্য সংবিধিবদ্ধ সংস্থায় কর্মরত কর্মচারীদের ন্যায় তাদের স্থায়ীকরণ, বেতন বৃদ্ধি, পদোন্নতির সুযোগ, গ্র্যাচুইটি এবং অবসরভাতাসহ অন্য সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী। এতে কমিউনিটি কিনিক প্রকল্পের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে বিরাজমান অসন্তোষ দূর হবে বলে মনে করছেন ট্রাস্টের কর্মকর্তারা।
কমিউনিটি কিনিকের কর্মকান্ড আরও গতিশীল ও মানসম্মত করে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করে ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বিশ্বের মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রকল্প। কিনিকের সুফল ভোগ করছে দেশের সাধারণ মানুষ। বাড়ির পাশেই বিনামূল্যে মিলছে স্বাস্থ্যসেবা। কমিউনিটি কিনিক বর্তমানে দেশের স্বাস্থ্যসেবার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কমিউনিটি কিনিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চিন্তাপ্রসূত একটি অগ্রধিকারপ্রাপ্ত কার্যক্রম যা বর্তমান সরকারের সাফল্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, দেশে-বিদেশে নন্দিত। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ জনগণ কাছাকাছি কমিউনিটি কিনিক হতে সমন্বিত স্বাস্থ্য, পরিবার-পরিকল্পনা ও পুষ্টিসেবা পাচ্ছেন। এটি জনগণ ও সরকারের যৌথ উদোগে বাস্তবায়িত একটি কার্যক্রম। কমিউনিটি কিনিকের সেবা কার্যক্রম আরও গতিশীল, মানসম্মত ও স্থায়িত্ব সুনিশ্চিত করার ল্েয ‘কমিউনিটি কিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট’ গঠন করেছে সরকার।
কমিউনিটি কিনিকের বিভিন্ন কার্যক্রম, অগ্রগতি ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী তিনি বলেন, বর্তমানে কমিউনিটি কিনিক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষে চতুর্থ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচীতে কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ার (সিবিএইচসি) অপারেশনাল পান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগকে আরও বেগবান করতে কমিউনিটি কিনিককে ব্রান্ডিং করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ‘শেখ হাসিনার অবদান, কমিউনিটি কিনিক বাঁচায় প্রাণ’ স্লোগানটি কমিউনিটি কিনিকের ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বিদ্যমান কিছু সমস্যা সমাধানে চতুর্থ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় সিবিএইচসি অপারেশন পানে কমিউনিটি কিনিক কেন্দ্রিক বিভিন্ন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

সূত্র: সিএইচসিপি বিডি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

সর্বোচ্চ করোনা ঝুঁকিতে ২০ দেশের মধ্যে নেই বাংলাদেশ

মরণব্যাধি করোনাভাইরাস সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ২০টি দেশের শীর্ষে রয়েছে থাইল্যান্ড, জাপান ...